Skip to main content

Posts

Showing posts with the label গল্প

গল্প-৩

গল্প-৩ শিক্ষাণীয় গল্প বিশ্বাস ঘাতকদের বিশ্বাস করা যায় না সবাইকে বিশ্বাস করা যায় না সিংহ শিয়ালকে বলে - যা আমার জন্য খাবার নিয়ে আয়। শিয়াল ঘোড়ার কাছে গিয়ে বলে- ভাইজান কেমন আছেন? ঘোড়া চিন্তা করে- যে শিয়াল খ্যাক খ্যাক করা ছাড়া কোনো কথা বলে না- সে আজ এতো মধুর স্বরে ডাকছে কেন? নিশ্চয়ই কোনো বদ মতলব আছে। ঘোড়া শিয়ালের ডাকে সাড়া দেয় না। শিয়াল এবার ময়ুরীর কাছে গিয়ে বলে- আপুমনি কেমন আছো। দেখতে খুবই মিষ্টি লাগছে। ময়ুরীও বুঝতে পারে- শিয়ালের মুখে মিষ্টি বচন। নিশ্চয়ই লক্ষণ ভালো না। সে ও সাড়া দেয় না। শিয়াল এবার গাধার কাছে গিয়ে বলে- বাহ! তোমাকে খুবই হ্যান্ডসাম মনে হচ্ছে। এরকম হ্যান্ডসাম একটা প্রাণী খেটে খেটে জীবনটা নষ্ট করে দিলো। তোমাকে আর কষ্ট করতে হবেনা। রাজার বয়স হয়ে গেছে। তিনি অবসরে যাবেন। আর তোমাকে রাজা বানাবেন। চলো আমার সাথে সিংহাসনে চলো। গাধা খুব খুশি হয়। শিয়ালের সাথে সিংহাসনে আসে। সিংহের কাছে আসা মাত্রই সিংহের এক থাবায় গাধা তার কান দুটো হারায়। কিন্তু কোনো রকমে পালিয়ে বাঁচে। শিয়াল গাধার কাছে...

গল্প-২

ফানি গল্প -------- ম্যাডাম ক্লাসে ঢুকেই বললেন, "বিজয় তুই নাকি রিয়াকে প্রেমপত্র দিয়েছিস! রিয়া তো তোর প্রেমপত্র পড়ে অজ্ঞান হয়ে গেছে।" ম্যাডামের কথা শুনে আমার কলিজা শুকিয়ে গেল। -রিয়া ম্যাডামের একমাত্র মেয়ে। ডাইনী মায়ের একমাত্র আদরের সন্তান। -ম্যাডাম আবার বলল, "কিরে, তুই উত্তর দিচ্ছিস না কেন?" ভয়ে আমার হাত-পা কাঁপাকাঁপি শুরু হয়ে গেল। যেকোনো সময় প্যান্ট নষ্ট করে ফেলার মতন অবস্থা। জীবনে কখনো ম্যাডামের ক্লাসে পড়া দিয়েছি বলে মনে পড়ে না। ম্যাডাম এমনিতেই আমাকে দেখতে পারেন না। তার উপর তাঁর মেয়েকে প্রেমপত্র দিয়েছি, সেটা পড়ে বেচারি অজ্ঞান... ম্যাডাম আমার অবস্থা যে আজ কি করবেন, সেটা বুঝার বাকি রইলো না। মনে মনে ঈশ্বরকে ডাকছি। -ম্যাডাম আস্তে আস্তে এগিয়ে এলেন আমার দিকে। ক্লাসের সবাই সার্কাস দেখার অপেক্ষায় আমার দিকে তাকিয়ে আছে। ম্যাডাম আমার কাছে এসে চিঠিটা আমার হাতে দিয়ে বললেন, "পড়ে শোনা।" ম্যাডামের কথা শুনে এবার গলা পর্যন্ত শুকিয়ে কাঠ। আমি লজ্জায় নিচের দিকে তাকিয়ে আছি। ম্যাডাম তাঁর ডাইনী কণ্ঠে চিৎকার করে উঠে বললেন, "এক্ষুণি প...

গল্প-১

জাপানের তাকামায়া গ্রামে একজন জ্ঞানী ও বৃদ্ধ কৃষক বাস করতেন। কৃষক লোকটির একটা সুন্দর ও শক্তিশালী ঘোড়া ছিল। কৃষি কাজে , ভারী জিনিস বহনে ও নিত্যদিনের চলা ফেরায় ঘোড়াটিকে তিনি ব্যবহার করতেন। একদিন ঘোড়াটি হারিয়ে গেলো। তাকে আর খুঁজে পাওয়া গেলো না। কৃষকের স্ত্রীর খুব মন খারাপ।কিন্তু কৃষক লোকটির কোন অস্থিরতা নেই। তার কোন আফসোস নেই। হারিয়ে যাওয়া ঘোড়ার জন্য তার কোন দুঃচিন্তা নেই। তাকে দেখে মনে হচ্ছে কোন কিছুই যেন হারায়নি। আসে পাশের প্রতিবেশীরা এসে বললো, "তোমার কি দুর্ভাগ্য ! একটা মাত্র ঘোড়া তাও হারিয়ে গেলো " এই কথা শুনে কৃষক লোকটি একটু মৃদু হেসে বললো , "হতে পারে " তার কিছুদিন পর ঘোড়াটি আবার কৃষকের বাড়ি ফিরে আসলো এবং তার সাথে আরোও তিনটি বন্য ঘোড়া। কৃষকের বাড়িতে অনেক আনন্দ। শুধু হারানো ঘোড়া ফিরে আসেনি , তার সাথে আবার আরোও তিনটা ঘোড়া। প্রতিবেশীরা আবার দেখতে আসলো , সবাই লোকটিকে বলতে থাকলো , "তোমার কি সৌভাগ্য , হারানো ঘোড়া ফিরে পেয়েছো সেই সাথে আবার তিনটা বাড়তি ঘোড়া " কৃষক আগের মতই হাসি মুখে বললো , "হতে পারে" দুই দিন পর কৃষকের...